March 23, 2026, 3:46 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

চট্টগ্রামে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি ঠেকাতে কঠোর পুলিশ

তানভীর আহমেদ,চট্রগ্রামঃ

কোরবানির পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি রোধে কঠোর অবস্থানে থাকবে চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসন।সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কোরবানির পশুবাহী ট্রাক থামাতে পারবে না পুলিশ।পশুবাহী গাড়িতে কেউ চাঁদাবাজি করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে প্রতিটি থানার ওসিদের এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশও পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে।সিএমপি ও জেলা পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বা কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।কোনো কোরবানির পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে।নজরদারিতে রাখা হবে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকগুলো।সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোরবানির পশুবাহী ট্রাকে কেউ চাঁদা দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে তিনটি উপায়ে পুলিশ জানাতে পারবেন।জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ কল করে জানাতে পারবেন।অথবা সিএমপির পুলিশের কন্ট্রোল রুমের নম্বরে কল করে বিষয়টি জানাতে পারেন।অথবা সংশ্লিষ্ট থানার ওসির ফোন নম্বরে কল করেও বিষয়টি জানাতে পারেন।রাস্তায় যে কোনো ধরনের চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স থাকবে।কোরবানির পশুবাহী ট্রাক তাড়াতাড়ি গন্তব্যে র্পৌছে যাবে, সেজন্য কাজ করবে ট্রাফিক পুলিশ।এজন্য ২৪ ঘণ্টা রাস্তায় থাকবে পুলিশ।পশুবাহী ট্রাক নির্বিঘ্নে চলাচল করবে।কেউ বাধা দিতে পারবে না। ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চট্টগ্রামে কোরবানির পশু আনা হয়।বিশেষ করে উত্তর বঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর গরু নগরী ও জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে আসে। বিশেষ করে নগরীর প্রবেশপথখ্যাত একে খান গেট ও সিটি গেট এবং জিইসি মোড় এলাকা হয়ে এসব পশুবাহী ট্রাক নগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে চলে যায়।অভিযোগ রয়েছে, কোরবানির সময় নগরীর বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাটগুলোতে চাঁদাবাজি হয়ে থাকে।বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে।নগরী ছাড়াও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে পশুবাহী ট্রাক আসে নগরীর বিভিন্ন হাটবাজারে।বিশেষ করে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ উপজেলায় বিভিন্ন খামারি ও উদ্যোক্তার নিজেদের পালন করা গরু নগরীতে আনা হয়।কোরবানির হাটে আনা এসব গরুবাহী ট্রাক থেকেও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের ১৬ উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে শতাধিক কোরবানির পশুরহাট বসবে।চট্টগ্রামে ভারতীয় সীমান্ত জেলা যশোর, কুষ্টিয়া, লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর বেপারিরা এনে থাকেন।এসব গরুর বেপারিদের কাছ থেকে যাতে কেউ চাঁদাবাজি করতে না পারে এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ সদস্যরা।এছাড়া পুলিশ কোরবানির পশুবাহী ট্রাকগুলো নজরদারিতে রাখবে।করোনার মধ্যে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চট্টগ্রাম জেলার সব কোরবানি পশুর হাট বসাতে হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।প্রতিটি কোরবানির হাটের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের পাশাপাশি মাস্ক পরিধান নিশ্চিত থাকতে হবে।সিএমপির এডিসি (জনসংযোগ) মির্জা সায়েম মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, বেপারিরা যে হাটে খুশি পশু বিক্রি করবেন। জোর করে কোনো হাটে যেতে বাধ্য করা যাবে না।কেউ যদি পশুবাহী ট্রাকে বা পশু বিক্রির করার সময় চাঁদাবাজি করে তাহলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক প্রাইভেট ডিটেকটিভকে  জানান, কোরবানির পশুবাহী ট্রাকে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না।এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৪ জুলাই ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর